সব রক্ষণাবেক্ষণ গাইড
4 মিনিটের পড়া · আপডেট 2026-10-14
হেলমেট কেনা আর যত্ন নেওয়া
হেলমেট এমন জিনিস যা প্রথমবারেই কাজ করতে হবে। দেখতে কেমন তার চেয়ে মাপ আর সার্টিফিকেশন বেশি জরুরি।
ধাপগুলো
- পারলে ফুল-ফেস হেলমেট নিন। এটা থুতনি আর চোয়াল বাঁচায়, ওপেন-ফেস যা পারে না।
- সার্টিফিকেশন দেখুন। খবর অনুযায়ী বাংলাদেশে হেলমেট বিক্রির জন্য BSTI সার্টিফিকেশন লাগে। সাথে ECE বা DOT-এর মতো আন্তর্জাতিক লেবেলও খুঁজুন। কোনো লেবেল না থাকলে সেই হেলমেট নেবেন না। কোন চিহ্নের কী মানে, তা আমাদের "হেলমেটের লেবেল: BSTI, ECE 22.06 আর অন্যগুলো" গাইডে আছে।
- পরে দেখুন। চারপাশে আঁটসাঁট থাকবে কিন্তু কোথাও চাপ লাগবে না, আর মাথা নাড়লে ঘুরে যাবে না।
- প্রতিবার স্ট্র্যাপ আটকান, নিচে যেন এক-দুই আঙুলের বেশি না ঢোকে।
- ভাইজর পানি আর নরম কাপড়ে পরিষ্কার করুন, খোলা যায় এমন লাইনার হালকা সাবানে ধুন।
- পিলিয়নের জন্যও একটা নিন।
সাধারণ ভুল
- দুর্ঘটনা বা জোরে পড়ে যাওয়ার পর একই হেলমেট আবার পরা, দেখতে ঠিক থাকলেও। ভেতরের ফোম থেঁতলে থাকতে পারে। বদলে ফেলুন।
- মিররে হেলমেট ঝুলিয়ে রাখা। এতে লাইনার নষ্ট হয়, চুরিও হয়।
- পুরনো হেলমেট কেনা। এর অতীত আপনি জানেন না।
কখন মেকানিকের কাছে যাবেন
- বাইকের হেলমেট লক ভাঙা বা না থাকলে ঠিক করিয়ে নিন, যাতে হেলমেট আলগা পড়ে না থাকে।
- লাইনার ঢিলা হলে, স্ট্র্যাপ ক্ষয় হলে, বা নির্মাতার বলা মেয়াদ শেষ হলে হেলমেট বদলান।
এটি সাধারণ কমিউটার মোটরসাইকেলের জন্য সাধারণ পরামর্শ। আপনার বাইকের প্রেসার, সময় আর অয়েল গ্রেডে ওনার্স ম্যানুয়ালই শেষ কথা। নিশ্চিত না হলে বিশ্বস্ত মেকানিকের পরামর্শ নিন।