মূল অংশে যান
suggest.bike

নতুন বাইকের মালিক

বাইক তো কিনলেন। এবার কী?

প্রথম কয়েক সপ্তাহের ছোট চেকলিস্ট: ইঞ্জিন কীভাবে ব্রেক-ইন করবেন, নিজে কী কী দেখবেন, রেজিস্ট্রেশন লাগবে কি না, আর কোন অ্যাকসেসরিজে টাকা খরচ করা যায়।

ইঞ্জিন ব্রেক-ইন

প্রথম কয়েকশো কিলোমিটারই ঠিক করে দেয় ইঞ্জিন বছরের পর বছর কেমন চলবে। সঠিক সংখ্যা আপনার ওনার্স ম্যানুয়ালে আছে; বন্ধুর পরামর্শের চেয়ে ওটাই মানুন।

  • রেভ মাঝারি রাখুন, গতি বদলাতে থাকুন; একই থ্রটলে লম্বা সময় চালাবেন না।
  • ম্যানুয়ালের ব্রেক-ইন দূরত্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফুল থ্রটল বা হঠাৎ স্পিড তোলা নয়।
  • প্রথম ফ্রি সার্ভিস বাদ দেবেন না। নতুন ইঞ্জিনের ধাতব গুঁড়া প্রথম অয়েল চেঞ্জে বেরিয়ে যায়।
  • চালানোর আগে এক মিনিট ইঞ্জিন গরম হতে দিন, বিশেষ করে শীতে।

নিজে করা যায় এমন বেসিক চেক

রাইডের আগে দুই মিনিট, অথবা সপ্তাহে একবার। কোনো যন্ত্রপাতি বা মেকানিক লাগে না।

  • টায়ারের প্রেসার ও ক্ষয়: প্রেসার কম হলে মাইলেজ ও গ্রিপ কমে। ফাটল আর পেরেক দেখুন।
  • ইঞ্জিন অয়েলের লেভেল: সমতল জায়গায়, ঠান্ডা ইঞ্জিনে, ডিপস্টিক বা সাইট গ্লাসে দেখুন।
  • চেইন: পরিষ্কার, হালকা তেলযুক্ত আর খুব ঢিলা নয়। শুকনো বা মরচে ধরা চেইন দ্রুত ক্ষয় হয়।
  • ব্রেক: দুই লিভারই শক্ত, শব্দ নেই, প্যাড ক্ষয়ে ধাতু বেরোয়নি।
  • রাতে বের হওয়ার আগে লাইট, ইন্ডিকেটর, হর্ন আর মিরর দেখে নিন।
  • ব্যাটারি আর কুল্যান্ট (লিকুইড-কুলড হলে): লেভেল আর ওয়ার্নিং লাইট দেখুন।

ধাপে ধাপে: টায়ারের প্রেসার কীভাবে দেখবেন ও ঠিক করবেন · চেইন পরিষ্কার ও লুব করা · ইঞ্জিন অয়েল দেখা ও বদলানো · দুই মিনিটে ব্রেক চেক

রেজিস্ট্রেশন: লাগবে কি?

হ্যাঁ। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া বাইক রাস্তায় চালানো বেআইনি, আর সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এ জরিমানা রেজিস্ট্রেশন ফির চেয়ে অনেক বেশি। কাগজ ছাড়া বাইক বিক্রি, ইন্স্যুরেন্স বা চুরির দাবিও করা যায় না।

  • ডিলারকে জিজ্ঞেস করুন রেজিস্ট্রেশন কে করবে আর রসিদে কী কী ধরা আছে।
  • প্রতিবার লাইসেন্স আর রেজিস্ট্রেশনের কাগজ সাথে রাখুন।

রেজিস্ট্রেশনে কত লাগে · ছাড়া চালালে জরিমানা

অ্যাকসেসরিজ: কিনুন, বাদ দিন, অপেক্ষা করুন

যা বাইক বা আপনাকে বাঁচায় তাতে খরচ করুন। যা শুধু দেখতে ভালো, তা বাদ দিন।

  • ডিস্ক লক: হ্যাঁ। দাম কম, সহজ চুরি ঠেকায়। পাঁচ মিনিটের জন্য রাখলেও প্রতিবার লাগান।
  • হেলমেট লক: আগে দেখুন, অনেক বাইকে আগেই থাকে। না থাকলে কিনে নিন; হেলমেট মিররে ঝুলিয়ে রাখবেন না।
  • ক্র্যাশ গার্ড: শহরের রাইড আর নতুন রাইডারের জন্য কাজের। আপনার মডেলের জন্য বানানো, ঠিকমতো লাগানো জিনিস নিন।
  • ফোন মাউন্ট: ম্যাপ ব্যবহার করলে হ্যাঁ। চালানোর সময় হাতে ফোন ধরবেন না; জরিমানা আছে।
  • আপাতত থাক: এক্সজস্ট, বাড়তি লাইট, স্টিকার। ওয়ারেন্টি বা নিয়ম ভাঙতে পারে, আর আপনার আসল দরকার এখনো জানেন না।

চেকগুলো ঠিকভাবে শিখতে চান? রক্ষণাবেক্ষণের লেখাগুলো পড়ুন